Wednesday, 9 October 2013

Freedom is the recognition of necessity ::


Freedom is the recognition of necessity ::

বস্তুজগৎ নাকি মায়াজগত কী হিসেবে দেখব আমাদের এই বাসভূমিকে ? যদি ভোরবেলা বৃহৎ নীল আকাশের মাঝে ভেসে বেড়ানো সাদা মেঘ দেখি আর তার নীচে  একটি মহীরুহ দেখতে পাই , শুনতে পাই সদ্য জেগে ওঠা পাখিদের কিচিরমিচির , কিংবা গুটিকয় মানুষের প্রাতঃ ভ্রমন , হয়তবা এক টুকরো সঙ্গীত আচমকা কানে এলো কি ভাববো তখন !

আমার প্রজন্মে কেউই job-satisfaction পায় না , সেটা পাওয়া সম্ভব নয় বর্তমানে এমন এক সময়ে আমরা এসে দাঁড়িয়েছি যে honesty বা non-compromising  এর মত কোনো শব্দের অস্তিত্ব নেই একদম প্রথম থেকে কিছু সংস্কার (এর বোঝা) আমরা মাথায় নিয়ে আলো দেখেছি পৃথিবীর সেগুলো যৌক্তিক না শুধুই প্রচলিত সেটা নিয়ে ভাবার অবকাশ নেই তারপর থেকে শুধু নিজেকে বাঁচিয়ে রাখার জন্যে নানারকম মিথ্যে ভড়ং এবং মনের বিরুদ্ধে গিয়ে সব কাজ করা ইচ্ছে না হলেও আমরা বাধ্য , বাধ্য কিছু ইতিহাসের ভয়ে , বাধ্য কিছু টানাপোড়েনের দায়ে , বাধ্য কিছু জৈবনিক বোধের মর্যাদা রক্ষার অলিখিত চুক্তিতে যারা যত adjust  করতে পারে তারা ততই সুখি কিন্তু satisfied নয় ফলে এক বৃহৎ মানসিক হতাশাগ্রস্থতার গণ্ডির বিস্তার বাড়ছে , সেটা আমাদের দেশের কবির সংখ্যা দেখলেই বোঝা যায় কর্পোরেট মালিকানার বাজার , নয়া সামন্ততান্ত্রিক কাঠামো , সংসদীয় গনতন্ত্রের ওপর পুঁজির নিয়ন্ত্রন , ultra freedom (neoliberalism নয়) ,  মিডিয়া কর্তৃক প্রচারিত সম্পূর্ন বা প্রায় সম্পূর্ন illusory ধারনার প্রচার সাধারন চাহিদাকে শাসন যন্ত্রের বাইরেই ফেলে রাখে এরপর ক্রমাগত অর্থনৈতিক গলনের চাপে আমরা রোজ একরাশ দুশ্চিন্তা নিয়ে ঘুম থেকে উঠি এরপর পৃথিবী কিরুপে ধরা দেবে আমাদের কাছে ?
আসলে যে ব্যবস্থাটা আমাদের নিয়ন্ত্রন করছে সেটা আমাদের ওপর দ্বৈতসংঘাতের অভিঘাত এনে দিয়েছে যার জন্যে দোষারোপ হয় কিন্তু প্রতি- দোষারোপের কণ্ঠের সামনে আমাদের ক্ষুব্ধ হবার অধিকার থাকে না ফলে নিয়ন্ত্রনহীন এক প্রবৃত্তির তাড়নায় প্রতিমূহূর্তে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি বিলোপের পথে কী চাইছি ?” সেটাই এখন সবচেয়ে বড় আত্ম-জিজ্ঞাসা কেননা প্রয়োজন ও বিলাসিতার মধ্যে বিপরীতার্থক দ্বন্দ্ব কাজ করলেও একটা পার্থক্যহীন সমঝোতা আছে কিসের জন্যে স্বাধীনতা , কিসের জন্যে আন্দোলন , কিসের জন্যে বিপ্লব সেটার সুস্পষ্ট ধারনা না থাকলে কোনও কিছুতেই ব্যাপ্তি পাওয়া যায় না
এই যেমন , যৌনতা এমন এক অবস্থানে এসে গেছে যে একে কীভাবে ব্যবহার করতে হয় সেটাই আমরা ধরতে পারছি না ফলে perversion আসছে , আর আমরা সেটাকেই অবদমিত অধিকারবোধ ভেবে ভুল লড়াই করছি আসলে যৌনতা উপভোগের কোনও cultural sense বাকি নেই , সেজন্যে না সেটা তৃপ্তিদায়ক অভিজ্ঞতা না ভালবাসার আবেগের যে অনুভূতি তার সাবলীল স্ফুরণ স্বাভাবিক নরনারীর ক্ষেত্রে love = sex + culture এই সমীকরণটা বাতিল হয়ে যাচ্ছে যদিও এটাই বৈজ্ঞানিকভাবে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য

বহুমাত্রিক চেতনাসত্তা এই যুগের বিশেষ বৈশিষ্ট্য প্রত্যেকটা কণ্ঠস্বর উঠবে কিন্তু প্রত্যেকটার দাবি যেমন বহুমাত্রিক হবে তেমনি তীব্রতাও তাই হতে হবে নির্নিমেষ জাগরণ শুধু নয় , নৈতিক সভ্যতার (moral civilization) কাঠামো প্রস্তুতির পরিকল্পনাও একত্রে ক্রিয়াশীল করার কথা ভাবতে হবে আবশ্যক প্রয়োজন বা চাহিদা কোনটা সেটা প্রথমে বিচার করতে হবে তারপর তার শর্তগুলো , ত্রুটিগুলো , ভ্রান্তিগুলোকে সংশোধন বা আমূল পরিবর্তনের জন্যে নির্ধারিত পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে তবেই জগত সত্যিরূপে নিজেকে প্রকাশ করবে

No comments:

Post a Comment

I am waiting for your valuable comment. Please comment. Thank you..