Saturday, 21 December 2013

এই প্রথম শূণ্যতা আর আনন্দ একসাথে .........



এই প্রথম শূণ্যতা আর আনন্দ একসাথে .........

আবার সময় এল প্রস্তুতির । এক অমোঘ মেঘ আচমকা সাদা থেকে কালো হয়ে যাচ্ছিল , আমরা সকলেই , আমাদের আভ্যন্তরীন পৃথিবী ও পৃথিবীর জনমানসেরা , উপলব্ধি করছিল যন্ত্রনার আরও এক কিন্তু অন্য দ্বিতীয় সংগা ।  পুরানো রাজবাড়ির বৃহদাকায় মূহুর্তযন্ত্রের স্বল্প বিস্তার অব্দি ভয়াল গর্জনে আছড়ে পড়ছিল শ্যাওলা ধরা আপাত-অর্থে স্থির কিন্তু বহুল প্রেমের মৃত্যুশোকে কাতর পাথরের সর্বাঙ্গে । কলরবস্থিত পুঞ্জিভূত বিচ্ছিন্নতার ফেনরাশি অপেক্ষার জাজ্বল্যময় অন্ধকারে আরও একবার নিজেকে বুঝিয়ে নিল মেঘ তার রঙ বদলায় তখনই যখন বৃষ্টির অবশ্যম্ভাবী আশঙ্কা বাস্তবে পরিব্যপ্ত হয় কিন্তু সে নিতান্তই ক্ষণস্থায়ী । এবং বৃষ্টি শুধু ইহলোকগত বিপুল বিকেলজুড়ে নয় উপরিস্থিত গম্ভীর জীমূতেও স্পষ্টভাবেই ব্যপ্ত । 

সুতরাং , এগিয়ে যাওয়া নরজগতের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হতে চলা সুহৃদের পদসঞ্চালনা যতই এদিক থেকে সরে যাচ্ছে , যদিও উষ্ণ বায়ুর পথত্যাগ অর্থে অন্য কোথাও আস্তানা , ততই সে পৌঁছে যাচ্ছে উন্মুক্ত দরজার আরও কাছাকাছি । একথা সত্য যে হৃদঘটিত একাকীত্য এবার সর্বশরীরে থাবা বসাবে কোনও কোনও কৃত্ত উপাংশে তবুও অন্তিম ভরসা এটুকুই যে , তারা , জনাস্তিকে থাকা শব্দমালা , আবার ফিরে আসবে মন্দ্র ধ্বনির প্রবল টানে । 

শুধু প্রার্থনা এই যে , স্মৃতিভ্রষ্ট বৃদ্ধদের যেমন সারাশরীরে অসংখ্য ক্ষতচিহ্ন কিংবা না বলা অক্ষরের প্রতিফলন তেমন দশা যেন পুষ্পের না হয় মরীচিকার সুদীর্ঘ আঘাতে । শান্ত নিবিড় আনন্দে পুষ্প বিকশিত হোক , আমরা , প্রাকৃতজনেরা সাক্ষী হয়ে রইব সেই যাত্রার যার শুরু তোমরা জানো কিন্তু শেষ কেউ জানে না ।

No comments:

Post a Comment

I am waiting for your valuable comment. Please comment. Thank you..