সুচিত্রা
সেন চলে গেলেন । কিন্তু তাতে কি খুব কিছু পার্থক্য ঘটল আমাদের চলমান সময়ে । তিনি যেদিন থেকে অন্তরালে গেছিলেন সেদিন থেকেই তো তিনি নিজেকে মৃত করে দিয়েছিলেন পৃথিবীর কাছে । মাঝে মধ্যে তাঁর শারীরিক অসুস্থতার দরুন সংবাদমাধ্যম মুখর হয়ে উঠত , ব্যস আর কি । খবর বিক্রির বাজার এবার আরও কিছু বাড়বে কদিন তারপর সব কীর্তিমানদের মতই বাঙালীর মাথা থেকে তিনি ভ্যানিস । তবে হ্যাঁ মাঝে মাঝে মহানায়িকার পাঁচদিন সাতদিন অবশ্যই হবে টিভি পর্দায় । আমি মনে করি না তাঁর চলে যাওয়াতে বর্তমান বাংলা চলচ্চিত্ররকোনও সুবিশাল ক্ষতি হয়েছে কেননা তিনি তাঁর কাজ যা করার তা করে দিয়েছিলেন অনেক আগেই আর বর্তমানে কোথাও তিনি সিনেমা নিয়ে নিজের মতামত প্রকাশ বা সমালোচনা কিছুই করেননি , অভিনয় তো নয়ই । তাই সিনেমা নিজের মতই এগুচ্ছিল এবং এগুবেও । আমি শুধু এই জন্যই তাঁকে LEGEND বলে গ্রহন করব (যদি ধরে নিই তিনি কোনও ভাল সিনেমা করেননি) যে চলতি বাজারে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখার হ্যাংলামো থেকে নিজেকে সযত্নে সরিয়ে নিয়েছেন (ঠাকুমা , জ্যাঠিমা ইত্যাদি চরিত্র করেননি আপোষ করে) এবং ব্যক্তিত্বর সঠিক মর্যাদা রক্ষা করেছেন , তিনি একমাত্র যিনি কখনই নিজেকে মহানায়িকার দর্পে প্রতিষ্ঠা করে ছড়ি চালাননি কারও ওপর (অন্তত অন্তরালে যাবার পর), এতবছরে এইরকম সুকঠীন সংযম ও ব্যক্তিত্বময়ী অবস্থান আমৃত্যু বজায় রাখার জন্য । আপামর দর্শক যাঁকে শুধুই যৌবনের নায়িকা হিসেবে মনে রাখবে , যিনি নিজের বয়স বাড়তে দেননি । তিনি বেঁচে থাকবেন শুধু তাঁর কাজের ও জীবনযাপনের অনন্য নজিরের দরুন । আজকের নায়িকাদের ব্যক্তিত্বহীন ও অহমিকাপূর্ণ মনোভাব এবং ক্ষুদ্র কারণেই পণ্যের বাজারে আত্মসমর্পনের যুগে তিনি বাস্তবিকই ব্যতিক্রম ও শ্রদ্ধেয় ।
শেষ কোথায় ?
শেষ কোথায় ?
Ekdom thikthak kotha bolechhis...... no hypocrisy.... liked it very much
ReplyDelete