Friday, 10 October 2014

The Dominant Minority* : Reason and Solution



Mumbai Blast (Source : Internet)
বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং সামাজিক স্তরের যে ধরনের পরিবর্তন আকস্মিকভাবে প্রতিভাত হতে শুরু করেছে তাতে একপ্রকার পরিকল্পিত দাঙ্গা পরিস্থিতি উদ্ভবের সম্ভবনা থেকেই যাচ্ছে , সেটি যাতে কোনও প্রকারে সম্ভব হতে না পারে তারই আগাম চেষ্টা হিসেবে “মুসলমান মাত্রই জঙ্গী ভাববেন না প্লিজ” শিরোনামে একটি লেখা ব্লগে লিখেছিলাম কিন্তু তার প্রতিক্রিয়ায় (Facebook এ) যে মন্তব্য আমি পেয়েছি তা আমাকে আশঙ্কিত করেছে । অবশ্য যে প্রশ্নগুলি দীপ্ত সুন্দর সরকার ও নরেন চক্রবর্তী তুলেছেন তা মোটামুটি ভারতবর্ষের বেশীরভাগ হিন্দুর মনের প্রশ্ন । প্রশ্নগুলি কি ?

  • ·         80% terror organization মুসলিম দ্বারা পরিচালিত । ISIS , Al Queda , Jamat e Islami , Boko Haram , Al Nusra , Al Jehad , Hamas , Hezbolla , Indian Mujahiddin etc আরও অনেক আছে । কেন বলতে পারেন ??? কারণ fundamentalism টা ওদের অনেকের মধ্যে ঢুকে আছে । আঞ্জেম চৌধুরী ... পাকিস্তানি ব্রিটিশ ... ইংলন্ডে শাহরীয়া শাসন চাইছে । কোনও হিন্দুকে দেখেছেন অন্য কোনও দেশে গিয়ে হিন্দু শাসন চাইতে ??? ... এমন উদাহরন অনেক আছে যেগুলো বেশ Shocking ... এখনও পর্যন্ত ৮০ মিলিয়ন হিন্দু মুসলিমের হাতের মরেছে ।। আর ২৭০ মিলিয়ন মরেছে world wide মুসলিমদের হাতে ১৪০০ বছরে । যেটা স্ট্যালিন , হিটলার , মুসোলিনির দ্বারা মৃতদের ৯ গুন । (দীপ্ত সুন্দর সরকার)



  • ·         আপনি কটা হিন্দু terrorist group এর নাম বলতে পারবেন , একটাও না । কারণ হিন্দুদের ধর্ম জেহাদ শেখায় না । ওদের ৯০% চায় ভারত পাকিস্তান হয়ে যাক । (নরেন চক্রবর্তী) (যে কোনো কারনে হোক ডিলিট করেছেন !!)


এর উত্তর কোনদিন বিরোধিতা বা সমর্থনেরযোগ্য নয় তাই সেই দিকে না ঝুঁকে কয়েকটি নথি তুলে ধরতে চাইব যেগুলো সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করবে । 

কেন ভারতে এই হিন্দু মুসলিম বিরোধ ? আসলে একটা ব্যাপার আছে । আমরা সকলে একই পরিবারে যখন বড় হই তখন একটা সময় অব্দি পরিবারের কর্তার , পিতার , কথা মতই একই পদ্ধতিতে জীবনযাপন করি । কিন্তু পরবর্তী সময়ে যখন নিজেদের আদর্শ ও আকাঙ্ক্ষার অস্তিত্ব আবিস্কার করি তখন আমরা ভাইয়ে ভাইয়ে ও পিতাপুত্রে আলাদা সংসার করার জন্য প্রয়াসী হই । এটাকে বলা হয় স্বাতন্ত্রলাভের ইচ্ছা এতে বাধা দিলে পিতা ও পুত্রের অশান্তি যা বর্তমানে আমরা দেখে দেখে অভ্যস্ত হয়ে গেছি । এই স্বাতন্ত্রলাভের ইচ্ছা প্রত্যেক ব্যক্তিমানুষের মধ্যে জাত ধর্ম নির্বিশেষে রয়েছে । এই স্বাতন্ত্রলাভের ইচ্ছার কারনে হিন্দু মুসলমানের মধ্যে  বিরোধের সৃষ্টি হয় । মনে রাখতে হবে এ কোনও পরিবারের মধ্যেকার বিরোধ নয় এ দুটি স্বাধীন সম্প্রদায়ের বিরোধ কেননা হিন্দুরা হিন্দুত্ব বজায় রাখতে বদ্ধ পরিকর অন্যদিকে মুসলমানেরা মুসলমানত্ব । আর এর পেছনে রয়েছে দুটি ধর্মের শাস্ত্রীয় বিধান । এই বিধান অনুযায়ী উভয়েই নিজেদের ঐক্য সম্পর্কে অত্যাধিক সজ্ঞান ও অপরের সম্পর্কে অসহিষ্ণু ।


Riot (Source : Internet)
 তবে এখানে হিন্দুরা বিরোধিতা করবে এই বলে যে হিন্দুরা কার গায়ে পড়ে আক্রমণ করতে গেছে ? এ কথা সত্য কিন্তু হিন্দু সমাজ নিজেদের জাত বাঁচাবার জন্য যে নিয়মের প্রচলন করেছে তা মুসলিমদের যথেষ্ট অপমান করে । এই প্রজন্ম বলবে যে সেসব আগের কথা এখন ওসব নেইআমি তাদের কয়েকটি প্রশ্ন করব আমাদের টিভিতে কম করে ১০০ টি চ্যানেল আসে , তার মধ্যে যে দুটি বা তিনটি ইসলামি চ্যানেল আছে তাছাড়া কয়টিতে মুসলিমদের নিয়ে অনুষ্ঠান বা সিরিয়াল হয় ? দূর্গাপূজার জন্য যে “মা আসছেন” বলে সাতদিন আগে থেকে ও বিসর্জনের পর “আসছে বছর আবার হবে” বলে টিভিতে অনুষ্ঠান হয় সেখানে ঈদ উপলক্ষ্যে একমাসের রোজার সময় কবার তার সময়ক্রমটুকু দেখান হয় , অনুষ্ঠান তো ছেড়েই দিলাম ? আমাদের বাংলা সাহিত্যে কয়জন মুসলিম চরিত্র আছে কিংবা মুসলিমদের সামাজিক জীবনচারনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে ? এই যে ক্লাবকেন্দ্রীক পূজোগুলো হয় তাতে বেশ কিছু মুসলিম মানুষ যুক্ত থাকেন কিন্তু কজনকে ঠাকুরের ফল কাটা বা জিনিসপত্র কেনার অনুমতি দেওয়া হয় অথচ সার্বজনীন পূজা ?  আমাদের পাঠক্রমে হিন্দু বৌদ্ধ ইত্যাদি ধর্ম সম্পর্কে যতগুলি পাতা খরচ করা হয় কটি পাতা কোরান ও মুসলিমদের পালনীয় ধর্ম প্রসঙ্গে দেওয়া হয় ? অনেকে বলবেন ওদের জন্য মাদ্রাসা আছে আমি তাঁদের বলব হিন্দুদের মঠ , আশ্রম , মিশন ইত্যাদি আছে ।  কেন বেশ কিছু রাস্ট্রীয় অনুষ্ঠানের সূচনা নারকোল ফাটিয়ে বা শাঁখ বাজিয়ে হয় , কেন মন্ত্রীরা ভোটের আগে বা পরে মন্দিরে যান যেখানে এটা ধর্মনিরপেক্ষ (ধর্মনিরপেক্ষতা মানে অন্য ধর্মে আঘাত না করে নিজের ধর্ম পালন করা কিংবা সকল ধর্মের পালন করা নয় বরং কোনও ধর্মের প্রতি কোনও আচরন প্রকাশ না করা কে বোঝায় )দেশ ? কেন ধর্মনিরপেক্ষ দেশে ধর্মভিত্তিক সংরক্ষন চালু আছে ? এগুলোকে কি passive fundamentalism বলা যায় না ! এরকম অনেক প্রশ্ন করা যায় যার উত্তরে সমর্থন পাওয়া যায় যে মুসলিমকে দ্বিতীয় শ্রেণীর জনগণ করেই রাখা হয় এই ধর্মনিরপেক্ষ দেশে । 

অন্যদিকে মুসলমানদের শাস্ত্রে অন্যধর্মের প্রতি জেহাদের কথা তো লেখাই আছে , তাই তাদের আচরনের প্রত্যক্ষ প্রকাশ দেখা যায় কিন্তু তাঁরা যদিও কয়েকজন সেসব মানতে না চান হিন্দুদের যা ব্যবহার তা সেসব মানতে বাধ্য করে । কিন্তু তবুও আমরা পাশাপাশি মিলেমিশে থাকি । কেন ? কারণ মোঘল পাঠান ও ইংরেজ শাসন আমাদের সেই অভ্যাসে অভ্যস্ত করে দিয়ে গেছেন এ কোনপক্ষের উদারতা নয় যার প্রমান পাই মুসলিমদের কিছু অংশের(৯০% নরেনবাবু কোথায় পেলেন !!) পাকিস্তান দাবির মধ্যে । একে দেশদ্রোহিতার অভিযোগে দুষ্ট না করে সামাজিক ব্যাধি হিসেবে দেখে কারণগুলো নির্মূল করাতে মনোনিবেশ করা উচিত হবে । আর এই দাবির সূত্রপাত কলকাতা কর্পোরেশনের কাল থেকে এবং গান্ধীজি নিজে ধর্মনিরপেক্ষ হলেও তাঁর আশ্রমভিত্তিক জীবনযাপনের মত আচরন, হিন্দুদের ব্যাগে গীতা নিয়ে স্বাধীনতা আন্দোলন ইত্যাদি পাকিস্তান তৈরির মদত দিয়েছে । এর ফল কি ভাল হয়েছে ? মোটেই না । তাই ভারত পাকিস্তান যুদ্ধকে সাম্রাজ্যবিস্তারের আগ্রাসন হিসেবে দেখতে হবে , ধর্মভিত্তিক আগ্রাসন নয় । দুপক্ষকেই এটা বুঝতে হবে । 


Jehad Training (Source : Internet)
এবার বলি জেহাদের কথা । ধর্মগ্রন্থে সেসব যা লেখা আছে তা অস্বীকার করার সাহস আমার নেই । কিন্তু কেন লেখা হয়েছে সে প্রসঙ্গে কয়েকটি কথা বলব । মহম্মদ ও তাঁর অনুচরদের ওপর যখন অন্য আরবদের অত্যাচার ও আক্রমণ হতে শুরু করে তখন তার থেকে নিজেদের রক্ষা করতে সেসব লেখা হয়  ঠিক যেমন চৈতন্যদেবের ওপর কাজী ও তাঁর শিষ্যরা আক্রমণ শুরু করলে তিনি শ্রীহট্টের ভাষায় “তোরে মাইরা ফালাইমু” বলে লাঠি হাতে বেরিয়ে পড়েন তেমনিতবে সময়ক্রমে হিন্দুদের মনুসংহিতার মতই ইসলামেরও বিকৃতরূপ এসেছে যার ফল এখন আমরা দেখছি । Actually they change the glory of incorruptible God into an image made like to corruptible man এটা সমর্থনযোগ্য নয় কোনোমতেই

Figure Source : Internet
Terrorist দের মনস্তত্ত্ব নিয়ে কিছু আলোচনা করা গেলে খুব ভাল হত এই আলোচনার জন্য কিন্তু তা সম্ভব নয় , ওটা আলাদা dimension এর ব্যাপার । আমি The Mind of the Terrorist: A Review and Critique of Psychological Approaches , By Jeff Victoroff  Joseph de Rivera  এর লেখা পড়তে বলব । Globalised Economy এর প্রেক্ষিতে Terrorist Trend এর ওপর আলোচনাও বাদ রয়ে গেল । সেই প্রসঙ্গে Boaz Ganor এর লেখা পড়তে বলব । তাছাড়া The Historical Role of Islam BY M N Roy পড়ার অনুরোধ করছি ।


এবার আমি বলব পৃথিবীর বিভিন্ন ধর্মের মানুষের সংখ্যার কথা কারণ সেখান থেকে মুসলিম টেরর গোষ্ঠীর বাহুল্যের কারণ পাওয়া যাবে । তথ্য অনুযায়ী খ্রীস্টান, ইসলাম ও হিন্দুর নাম আসে ধর্মভিত্তিক জনসংখ্যার দিক থেকে অর্থাৎ ভারতে খ্রিস্টানরা যেভাবে সংখ্যালঘু বিশ্বে হিন্দুরাও তাই । আর ঘোষিত হিন্দুরাস্ট্র বলতে নেপাল ছাড়া কি অন্য দেশ আছে ? মনে রাখা ভাল ভারত ধর্মনিরপেক্ষ , হিন্দুরাস্ট্র নয় । সুতরাং যে ধর্মের বিস্তারের গণ্ডী এইটুকু সে অন্যদেশে যদি হিন্দুশাসন চায় তবে তা পিপীলিকার এভারেস্ট রাজত্ব চাওয়ার মত শোনাবে ।
Hindu Population Density (Source : Internet)
অন্যদিকে মুসলিমদের বিস্তার পৃথিবীব্যাপী , অনেক প্রাচীনকাল থেকে । তবে অন্যদেশের প্রতি শাস্ত্রীয় বিধান ছাড়াও আগ্রাসনের অন্য কারণ আছে । ঊনবিংশ শতকে পশ্চিম এশিয়া , আফ্রিকা , পূর্ব ইউরোপে মুসলিম আধিপত্য হ্রাস হয় । আলজিরিয়া ফরাসীরা দখল করে , মিশর ও সুদানে ইংরেজ , গ্রীক সার্ব ও বুল্গেরিয়ানদের বিরুদ্ধে লড়তে গিয়ে তুর্কীর সুলতানের সাম্রাজ্য কমে যায় , রুশিয়ার চাপে পারস্যে ও মধ্য এশিয়ায় আধিপত্য চলে যায় । ফলে গোটা পৃথিবীতে তাদের ইসলামকে প্রতিষ্ঠিত করার স্বপ্ন ভেঙে যায় । তখন সৈয়দ জামাল উদ্দীন অল আফগানী নামের একজন গোটা সাম্রাজ্যকে পুনরায় গঠন করার স্বপ্ন নিয়ে পৃথিবী ঘুরে বেড়ান ও সফলও হন । যা সে সময় সেভাবে বাস্তব পরিসরে পরিস্ফুট হয়না কিন্তু যতটুকু ব্যর্থতা হয়েছিল (ইসলামীদের ওপর অন্য জাতি কর্তৃক লাঞ্ছনাও কম হয়নি) সেই হৃতগৌরব পুনরুদ্ধারের ও প্রতিশোধের চেষ্টা হিসেবে আমরা এখন এই আগ্রাসন দেখি আর যার সমর্থন নেওয়া হয় ধর্মগ্রন্থ থেকে । এটাও মতামত তৈরির একটা কৌশলের মত । 
Muslim Population Density (Source : Internet)
তাই এতগুলো জেহাদী সংস্থা কাজ করে চলেছে । এই আগ্রাসনও সমর্থনযোগ্য নয় । খ্রিস্টানরা একসময় প্রায় গোটা পৃথিবীকে শাসন করেছে । সেটাও সমর্থনযোগ্য ছিল না । পৃথিবীতে হিন্দুদের এই পরিসর নেই , তাই
Terror Group নেই তেমন । তাছাড়া হিন্দুদের বহুত্ববাদ কোনও এক আদর্শে প্রান দিতে শেখায় না , বরং ঘুষ দিয়ে স্বার্থসিদ্ধির উপায় শেখায় । ভারতে পরিসর আছে তাইতো গুজরাট কান্ড , মালেগাঁও কান্ড , মেক্কা মসজিদ কান্ড , সমঝোতা এক্ষপ্রেস বম্বিং , আজমের শরিফ কান্ড ঘটেছে ।
Figure Source : Internet


ইসলাম শাস্ত্রের কিছু নীতি মানবতার দৃষ্টিতে সমর্থন করা যায় না ঠিকই কিন্তু তাই বলে কয়েকজনের আচরনের প্রতি বিদ্বেষ দেখাতে গিয়ে সমগ্র মুসলিমদের প্রতি আক্রমনাত্মক হয়ে RSS বা Bajrangi dol ইত্যাদির প্রতি আকৃষ্ট না হওয়ায় উচিত কারণ হিন্দুধর্ম জেহাদ না শেখালেও এরা শেখায়
আর যদি কেউ জিজ্ঞেস করেন যে এই বিরোধ কি মেটা সম্ভব ? আমি উত্তরে বলব , না । ধর্ম যতদিন মানুষের অন্ধত্ব ও ভক্তির জায়গায় থাকবে যুক্তির জায়গায় নয় , ততদিন সম্ভব নয় । আর যদি সেটা না করেও মেটানোর চেষ্টা করতে হয় তবে আমি দুটি উপায় দিতে পারি । এর জন্যও কিন্তু উদারতা দরকার । এক , আমরা ধর্মের ও জাতি বৈষম্যের উত্তরাধিকার বয়ে চলি আমাদের পদবির মাধ্যমে । যে কারনে সমাজে পদবীর প্রচলন হয়েছিল তা আজ অপ্রয়োজনীয় । সুতরাং তাকে বর্জন করলে শুধু হিন্দু মুসলিম ঐক্য নয় হিন্দু হিন্দু ও মুসলিম মুসলিম ঐক্যও বাড়বে । দুই , বিজাতীয় ও অন্য ধর্মে বিবাহ প্রচলনএগুলো প্রয়োগ করার কথা বন্ধুরা বাড়িতে বলে দেখতে পারেন যার দ্বারা আমার পূর্বোক্ত যুক্তির প্রমান পাবেন । 
Hindu Muslim Brotherhood (Source : Internet)

যাই হোক , যে কারনে লেখা শুরু হয় তা ছিল সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার বিরোধিতা কিন্তু এখানে যে আলোচনা করলাম , আমি নিজেই ভীষন বিস্ময়ে আছি কারণ , কোনদিন আমি ভাবিনি এ ধরনের লেখা আমাকে ব্লগে লিখতে হবে । যতটা সম্ভব ক্ষুদ্র পরিসরে রাখার চেষ্টা করেছি , কারণ ব্লগে লেখা পড়ার ধৈর্য বলে একটা ব্যাপার থাকে । তাই বেশ কিছু অস্পষ্টতাজনিত ত্রুটি রয়ে গেল । এ দায় আমার । তবে ভবিষ্যতে সুযোগ হলে বিস্তারিত আলোচনা করা যাবে । কিন্তু হিন্দু জনগনের প্রশ্নের উত্তরে এই লেখা না লিখলে তাদের একপেশে ও কিছুক্ষেত্রে ভ্রান্ত মতামতকে প্রশ্রয় দেওয়া হত যা অনেক সুবিধাবাদী মানুষের কুকাজকে সহজ করে । আমি দীপ্তবাবু ও নরেনবাবুকে আন্তরিক ধন্যবাদ দেব যে আমাকে আপনাদের প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে যে পরিমাণ বিশ্লেষনে যেতে হয়েছে তা আমার মননের ভবিষ্যত উৎকর্ষতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে । 

INDIA (Source : Internet)



*নীরদ সি চৌধুরী মহাশয়ের লেখা একটি প্রবন্ধের শিরোনাম “আমাদের ডমিন্যান্ট মাইনরিটি” থেকে নেওয়া হল ।
“শনিবারের চিঠি” তে আশ্বিন ১৩৪৩ এ প্রকাশিত নীরদ সি চৌধুরী মহাশয়ের লেখা প্রবন্ধ “হিন্দু মুসলমান বিরোধের গোড়ার কথা” উল্লেখ্য ।

No comments:

Post a Comment

I am waiting for your valuable comment. Please comment. Thank you..