![]() |
| Source Internet |
গতকাল "সোনার বই"-এর কথা লিখেছিলাম
এই গ্রুপে। ইট্রুস্কান সভ্যতার অত্যাশ্চর্য সব রহস্যময়তা নিয়ে ছিল সেই কাহিনি। অনেক
পাঠকের ভালো লেগেছে জেনে আনন্দিতও হয়েছি। তাই আজ আরেকরকম বইয়ের কথা জানাচ্ছি। খুব বিশদে
আজ আলোচনা করছি না। পরে অবশ্যই লিখব। আজ শুধু খবরটুকু দিচ্ছি।
আসলে বই ছাড়া বয়ে যায় না সময় ও সভ্যতা।
বইই ধরে রাখে স্মৃৃতি ও শ্রুতির আলেখ্যটিকে। যেভাবেই হোক সেটাকে পাঠ করতেই হবে। কথাতেই
আছে, নান্য পন্থা বিদ্যতে অয়নায়। বাংলার সমাজে মাইকেলের হাত ধরে পাঠকের যে নতুন যাত্রা
শুরু হয়েছিল, তাকেই বিবর্ধিত করেছিলেন বঙ্কিম। সেই ধারাই তো চলছে আজও।পাঠের বিবর্তনই
তো গড়েছে/গড়বে সভ্যতার সৌধ। আর তাতে বাঙালির যোগদান ঠিক কতখানি - এটির অনুসন্ধানই ছিল
আমার প্রথম বই "পাঠতন্ত্র"-এর উদ্দিষ্ট। যতটুকু পেরেছি করেছি। চেষ্টা থাকবে
আরও গভীর অন্বেষণের।
আপাতত আজকে একটি অন্য রকমের বইয়ের ছবি
দিই। এটিকে 1590 CE তে তৈরি করা হয়েছিল। এখন রাখা আছে জার্মানির ফোর্সবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে।
Follow me : Ardhendu Banerjee Official

No comments:
Post a Comment
I am waiting for your valuable comment. Please comment. Thank you..