শোকের কোনও উত্তাপ নেই , শুধু একটা যন্ত্রনা আছে । মনের অন্তরালে যা
ক্রমাগত দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে । আমি রোজ সম্পূর্ন
পুড়ে ছাই হই আবার পরেরদিন বেঁচে উঠি পূনর্বার ছাই হবার প্রস্তুতি নিয়ে । আমার ভালোবাসা প্রতিদিন আমায় প্রত্যাখ্যান করে তবুও আমার অনীহা নেই তার প্রতি । প্রলেপের মতন করে প্রতিরাত্রে সময় আমার বুকে এনে দেয় তীব্র বেদনার আবেশ , আমি উঠে বসি , আগলে ধরি ঝড় । তোলপাড় হয় আমার স্বপ্ন , আমার অন্তরমহল । প্রতিটা ভোরে আমি প্রত্যাশা করি সেই নারীর যে আমার
ভালবাসাকে নয় আমায় ভালবাসবে । সেই নারী যে তার
আঁচল দিয়ে আমার ভয়ে ভরা শরীর থেকে ঘাম মুছিয়ে আমার মুখ টেনে নেবে তার বুকে । আমি খুঁজে পাব জন্মকালীন স্নেহের অপার স্পন্দন । কিন্তু সেই নারী বোধহয় এখন মরে গেছে ।
আমি দেখেছিলাম কীভাবে আমার স্বপ্নের নারী মরে গেছিল । কীভাবে চোখ বন্ধ হয়েছিল তার । একটা কথাও আমি তখন বলে উঠতে পারিনি । হয়তো আজও পারব না । কেননা সেই মৃত্যুর কোনও প্রতিলিপি নেই । শুধুমাত্র একপ্রকার অনন্ত অভিলাষ ছিল ।
এখন দিন শেষ হয়ে এলে ঝরে পড়া রক্তিম সন্ধ্যায় তার মুখ আমার কাছে আসে । সেখানে চিহ্ন আছে অবরোধের , সেখানে ঘৃণায় ভরা একটা প্রবল ষড়যন্ত্র আছে । আমি তার পায়ে ধরে মিনতি করি আমাকে মুক্তি দেবার কিন্তু সে তার সমস্ত শক্তি দিয়ে আমার প্রত্যেকটা রোমকূপে ঢেলে দেয় বিষ । আমি ছটফট করতে থাকি আর সে হাসতে থাকে উন্মাদের মত ।
আজ আমি নিজেকে তার মত করে সাজিয়ে ফেলেছি । তার বিষকেই আমি আমার বেঁচে থাকার আবরন করে বুনেছি জীবনের জাল । সে জানে না । প্রত্যাখ্যানেই খুঁজে নিয়েছি প্রত্যাশাহীন গন্তব্য । এখন আমি রোজ অপেক্ষা করি এই ভেবে যে , আমাকে পুড়িয়ে তুমি খুঁজে পাও সুখ , যে সুখ আমি দিতে পারিনি । অন্তত নিজেকে আজ সঁপে দিয়ে যদি দিতে পারি সেই আনন্দ তবে তাই হোক । শুধু তুমি জানবে না , জানবে না কোনোদিনও ।
darun matured lekha ..last paragraph ta bes valo laglo..
ReplyDeleteKhub valo laglo...
ReplyDelete